আজকে আমরা মূল এর ব্যাখ্যা আলোচনা করবো । যা উচ্চতর গণিতের সূচকীয় ও লগারিদমীয় ফাংশন অংশের অন্তর্গত।

মূল এর ব্যাখ্যা
সংজ্ঞা: n ∈ N,n > 1 এবং a∈ R হলে, যদি এমন x ∈ R থাকে যেন xn = a হয়, তবে সেই কে a এর একটি n তম মূল বলা হয়।
n = 2 হলে মূলকে বর্গমূল এবং n = 3 হলে মূলকে ঘনমূল বলা হয়।
উদাহরণ ৫.
ক) 2 এবং – 2 উভয়ই 16-এর 4 তম মূল, কারণ ( 2 ) 4 = 16 এবং (-2) 4 = 16
খ) – 27 এর ঘনমূল – 3, কারণ ( 3 ) 3 = -27
গ) 0 এর n তম মূল 0, কারণ সকল n∈N, n > 1 এর জন্য 0n = 0
ঘ) – 9 এর কোনো বর্গমূল নেই, কারণ যে কোনো বাস্তব সংখ্যার বর্গ অঋণাত্মক।
এখানে উল্লেখ্য যে,
(i) যদি a > 0 এবং n ∈ N, n > 1 হয়, তবে এর একটি অনন্য ধনাত্মক, n তম মূল আছে। এই ধনাত্মক মূলকে n√a দ্বারা সূচিত করা হয় (2√a এর স্থলে √a লেখা হয়) এবং একে এর মুখ্য n তম মূল বলা হয়। n জোড় সংখ্যা হলে এরূপ a এর অপর একটি n তম মূল আছে এবং তা হলো – n√a
(ii) যদি a < 0 এবং n ∈N, n > 1 বিজোড় সংখ্যা হয়, তবে এর একটি মাত্র n তম মূল আছে যা ঋণাত্মক। এই মূলকে – n√a দ্বারা সূচিত করা হয়। n জোড় হলে এবং a ঋণাত্মক হলে a – এর কোন n তম মূল নেই।
(iii) 0 এর n তম মূল n√0 = 0

দ্রষ্টব্য:
১. a > 0 হলে n√a > 0
২. a <0 এবং n বিজোড় হলে, n√a = n√ |a| < 0 [যেখানে |a| হচ্ছে a এর পরমমান]
উদাহরণ ৬.
√4 = 2, ( √4≠ – 2), 3√-8 = -2 = –3√ 2,
√a2 = |a| = a, যখন a ≥ ,0 – a, যখন a < 0
সূত্র ৭.
a < 0, n ∈ N, n > 1 এবং n বিজোড় হলে দেখাও যে, n√a = – n√ |a|
প্ৰমাণ
n√a = n√ |a| [a < 0] = V/ (-1)^|a| [ n বিজোড়
= n√(-1) |a|
= -n√ |a|
সুতরাং, n√a = – n√ |a|
উদাহরণ ৭.
– 3√27 এর মান নির্ণয় কর।
সমাধান:
– 3√27 = -2/ (3) 3 = – 3
সূত্র ৮.
a > 0, m ∈ Z এবং n ∈ N, n > 1 হলে, (n√a) = n√am
প্রমাণ:
মনে করি, n√a = x এবং n√am = y
তাহলে, xn= a এবং yn = am
yn = am = (xn)m = (xm)n
যেহেতু y > 0, xm > 0, সুতরাং মুখ্য n তম মূল বিবেচনা করে পাই, y = xm
বা, n√am = (n√a)m
অর্থাৎ, (n√a)m = n√am
সূত্র ৯.
যদি a > 0 এবং m/n= p/q হয়, যেখানে m, p∈Z এবং n, q ∈ N,n > 1, q > 1 তবে,
n√am = q√ap
প্রমাণ:
এখানে, qm = pn
মনে করি, n√am = x তাহলে, xn = am
বা, (xn)q = (am)q
বা, xnq = amq = apn
বা, (xq)n = (ap)n
বা, xq = aP [মুখ্য n তম মূল বিবেচনা করে]
বা, x = q√ap
অর্থাৎ, n√am = q√ap
অনুসিদ্ধান্ত ১.
যদি a > 0 এবং n, k ∈ N, n > 1 হয়, তবে, n√a = nk√a
১ thought on “মূল এর ব্যাখ্যা”